রাজশাহী নগরীতে সিআইডি পুলিশ কর্মকর্তা ও বিসিএস ক্যাডার পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে কাওসার হোসেন তমাল (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে নগরীর রাজপাড়া থানার কোর্ট বুলনপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার কাওসার হোসেন তমাল রাজশাহী মহানগরীর কর্ণহার থানার দারুশা গ্রামের মোঃ কামরুজ্জামানের ছেলে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভবানীনগর এলাকার তরুণী মোসাঃ নাসরিন জাহানের (২৫) সথে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ফেসবুকে পরিচয় হয় কাওসারের। পরিচয়ের সূত্র ধরে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে নগরীর চিড়িয়াখানার গেটের সামনে তারা দেখা করেন। এ সময় নাসরিন জাহানের সঙ্গে তার খালাতো বোন মাকামুম মাহমুদা দ্যুতি উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতের সময় অভিযুক্ত কাওসার নিজেকে সিআইডি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) হিসেবে পরিচয় দেন। পরে তারা কোর্ট বুলনপুর ঢালুর মোড়ে একটি চায়ের দোকানে বসে আলাপচারিতা শুরু করেন। একপর্যায়ে কাওসারের কথাবার্তা ও আচরণে নাসরিন ও তার বোনের সন্দেহ হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে ৪৯তম বিসিএস ক্যাডার এবং সিআইডি কর্মকর্তা হিসেবে দাবি করেন। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি ভুয়া পরিচয়ের বিষয়টি স্বীকার করতে বাধ্য হন।
পরে ভুক্তভোগী নাসরিন জাহান বিষয়টি রাজপাড়া থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাওসারকে গ্রেফতার করে।
এ ব্যপারে নগরীর রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল মালেক জানান, অভিযুক্ত যুবক ভুয়া পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করছিলো। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর নিয়মিত মামলা দায়ের করে শনিবার সকালে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে নগরীর রাজপাড়া থানার কোর্ট বুলনপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার কাওসার হোসেন তমাল রাজশাহী মহানগরীর কর্ণহার থানার দারুশা গ্রামের মোঃ কামরুজ্জামানের ছেলে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভবানীনগর এলাকার তরুণী মোসাঃ নাসরিন জাহানের (২৫) সথে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ফেসবুকে পরিচয় হয় কাওসারের। পরিচয়ের সূত্র ধরে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে নগরীর চিড়িয়াখানার গেটের সামনে তারা দেখা করেন। এ সময় নাসরিন জাহানের সঙ্গে তার খালাতো বোন মাকামুম মাহমুদা দ্যুতি উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতের সময় অভিযুক্ত কাওসার নিজেকে সিআইডি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) হিসেবে পরিচয় দেন। পরে তারা কোর্ট বুলনপুর ঢালুর মোড়ে একটি চায়ের দোকানে বসে আলাপচারিতা শুরু করেন। একপর্যায়ে কাওসারের কথাবার্তা ও আচরণে নাসরিন ও তার বোনের সন্দেহ হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে ৪৯তম বিসিএস ক্যাডার এবং সিআইডি কর্মকর্তা হিসেবে দাবি করেন। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি ভুয়া পরিচয়ের বিষয়টি স্বীকার করতে বাধ্য হন।
পরে ভুক্তভোগী নাসরিন জাহান বিষয়টি রাজপাড়া থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাওসারকে গ্রেফতার করে।
এ ব্যপারে নগরীর রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল মালেক জানান, অভিযুক্ত যুবক ভুয়া পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করছিলো। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর নিয়মিত মামলা দায়ের করে শনিবার সকালে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :